Andhadhun (2018) বলিউড মুভি রিভিউ এবং এক্সপ্লেনেশন।

MLWBD October 6, 2018 Views 637

★ Andhadhun – বলিউডের আরও একটি দারুন ব্লাক ক্রাইম ★
.

.
#Andhadhun (2018) ইন্ডিং এক্সপ্লেইন্ড এবং রিভিউ! 😍
.
► বলিউডে ব্লাক ক্রাইম জনরার মুভি বেশ কম। বছরে দুই তিনটার বেশি আসেও না। ব্লাক ক্রাইম জনরার মুভি ভাল লাগে। কেনোনা ক্রিয়েশন দারুন হয়। আর যদি থাকে স্টারকাস্ট , তাহলে ভাল না হয়ে যায় কই। এ বছরের প্রথমদিকে #Blackmail নামক আরও একটি ব্লাক ক্রাইম থ্রিলার মুভি রিলিজ হয়েছিল। ইরফান খান <3 ছিলেন মূখ্য চরিত্রে। তাই বলা বাহুল্য যে মুভি ভাল না হয়ে যায় কই। আর Andhadhun এ ছিলেন আরও একজন ভাল অভিনেতা #Ayushmann_Khurrana <3 উনার অভিনীত সকল মুভিই দেখেছি। অসাধারন অভিনয় দক্ষতা উনার। তেমনি আন্ধাধুন মুভিতেও দারুন অভিনয় উপহার দিয়েছেন।

.
.
╠═══ মুভি ইনফো ═══╣

.
●► মুভি : Andhadhun

●► রিলিজ : ২০১৮

●► ইন্ডাস্ট্রি : বলিউড (হিন্দি)

●► জনরা : ব্লাক , ক্রাইম , সাস্পেন্স

●► ডিরেক্টর : শ্রী-রাম রাঘাবান

●► অভিনেতা : আয়ুষমান খুরানা
টাবু এবং
রাধীকা আপ্তে

.
.

●► পারশনাল রেট : 7.7/10 🙂

.

* প্রথমেই ধন্যবাদ দেয়া উচিত ডিরেক্টর শ্রী-রাম রাঘাবান কে। এর আগেও উনি Ek Haseena Thi , Johnny Gaddar , Badlapur এর মত দারুন সব ডার্ক/ব্লাক ক্রাইম মুভি উপহার দিয়েছেন 😍

.
.

╚● প্লট :►

.

●► শুরুতেই আকাশ নামক এক যুবক কে দেখানো হয় , যে একজন আর্টিস্ট। পিয়ানো বাজায়। এও দেখানো হয় যে সে অন্ধ। কিন্তু তার পরক্ষনেই খোলাসা করে দেয়া হয় সে অন্ধ নয়। সে অন্ধ সেজে আছে। কেনো অন্ধ সেজে আছে , তা কেউ জানেনা আর ইন্টারভাল এর আগেও তা দেখানো হয় নি!

কোন এক দিন সে প্রমোদ নামক কোন এক অভিনেতার বাসায় যায় তার ম্যারেজ এনিভার্সারী তে পিয়ানো বাজাবে। কিন্তু বাসায় ঢুকে ভ্যাবাচেকা। সে দেখল অলরেডি বাসার ভেতরে প্রমোদ এর খুন করা হয়েছে যার সাথে তার স্ত্রী এবং তৃতীয় পক্ষ ও জরিত। সেখান থেকে সে অন্ধ সেজে পিয়ানো বাজিয়ে কোনমতে কেটে পরে। ঘটনা এবার পুরোপুরি ডার্ক পয়েন্টে মুভ করে।

এসব ঘটনার রেশ কিছুটা না কাটতেই তার চোখের সামনেই আরও একটি খুন হয়ে যায়। কিন্তু সে তো সবার কাছে অন্ধ। কাউকে বললেও বিশ্বাস করবেনা। এদিকে তার প্রতি সকলের সন্দেহ বেড়েই চলেছে। তারপর প্রমোদ এর স্ত্রী (টাবু) জেনেই গেল যে সে অন্ধ নয়। আকাশ অন্ধত্বের এক্সপিরিয়েন্স নিয়ে মিউজিকে আরও মন দিতে চায়। সে মনে করে যে অন্ধত্বতে মিউজিক কে আরও ভালভাবে ফীল করা যায়। যার কারণে সে অন্ধত্বের অভিনয় করতো। কিন্তু কে জানতো , এই অভিনয় তাকে এবার সত্যিই অন্ধ করে দিবে। প্রমোদের স্ত্রী তাকে কোন এক মেডিসিন দিয়ে পুরোপুরি অন্ধ করে দেয়। খেলাটা এবার জমেছে ভালমত। এক প্রকার রিভেঞ্জ বা সাপ নেউলের মত খেলা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত কি হবে এটার জন্য আপনি মোটামুটি সাস্পেন্সের মধ্যেই থাকবেন। বেশিকিছু বলবো না। তাহলে আবার অনেকে স্পয়লার বলে চিল্লাবে :p

╠═══ যেসব বিষয় ভাল লেগেছিল ═══╣

প্রথমত সকলের অভিনয় ন্যাচারাল ছিল এ নিয়ে সন্দেহ নেই। যথেষ্ট ভাল স্ক্রিপ্ট। অন্তত নিরাশ করবেনা। তবে যারা ডার্ক কনসেপ্ট পছন্দ করেন না , তারা দূরে থাকুন। এটি সম্পূর্ণ অডিয়েন্স টার্গেটেড ফিল্ম। আরও একটি বিষয় ভাল লেগেছে আমার। সাপোর্টিং রোলগুলো ভাল এবং ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আমার মতে পার্ফেক্ট। ভাল ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ব্যাতিত এই জনরার ফিল্ম মরা মরা লাগে। এক্ষেত্রে ঠিক ছিল।

╠═══ যেসব বিষয় ভাল লাগেনি ═══╣

এক কথায় সবচেয়ে বেশি বিরক্ত হয়েছি শ্যাকি ক্যামেরা ইফেক্টের কারণে। মানে ক্যামেরার কাপাকাপি আর হাই ফ্রেমরেট। সাধারনত কোন একশন সীন এবং উত্তেজক মূহুর্তে সাস্পেন্স বজায় রাখা এবং রিয়্যালিস্টিক বুঝানোর জন্য Shaky Effect দেয়া হয়। এতে ইউজারদের দৃষ্টি আকর্ষন করা হয়। কিন্তু এই মুভিতে একশন সীন নেই। এরকম কোন সীন ও নেই যে শ্যাকি ইফেক্ট দিতে হবে। তাও কেনো এত বেশি পরিমান এবং একটু পর পর এরকম ব্যাপার কেনো করা হল , আদৌ বুঝিনি।

╚●► ইন্ডিং এক্সপ্লেনেশন (স্পয়লার থাকতে পারে) ◄●╝

ইন্ডিং এ দেখানো হয় যে “আকাশ অন্ধ থাকে শেষ মূহুর্তেও। তাও কেনো সে তার হাতের লাঠি টা ছুড়ে ফেলে দিল?” । সে তো অন্ধ। অন্ধ লোক তার হাতের লাঠি ফেলে দিলে সে লাঠি ছাড়া চলবে কি করে? তার চোখের অপারেশন করানো হয়েছে এটা মুভিতে একবার ও বলেও নি + রাধীকাকেও শেষে বলেনি কিছু। কিন্তু শেষে লাঠি টা ফেলে দেয়ার মানে তো এই দাড়ায় যে “সে অন্ধ নয়” । চলুন এটা কিছুটা এক্সপ্লেইন করা যাক।

১। পসিবিলিটি ১ : হয়ত শেষে ওই ডাক্তারের মৃত্যুই হয় নি। সে টাবু র চোখ অপারেশন করে আকাশ কে দিয়েছে এবং গাড়ি একসিডেন্ট করে দিয়েছে যাতে সবাই বুঝে যে একসিডেন্ট হয়েছে। আর এদিকে আকাশ তার মত ইউরোপ চলে এসেছে এবং ডাক্তার চলে গিয়েছে অন্য কোথাও।

২। পসিবিলিটি ২ : ফিনিসিং এ পুলিশের গুলিতে একটি ছেলের মৃত্যু হয়েছিল সেই গ্যাং এর। আর নার্স অপারেশন থিয়েটার হতে বের হয়ে বলে যে “আপনারা চাইলে অর্গ্যান ডোনেট করতে পারেন” । তো সেই অর্গ্যান (চোখ) হয়ত আকাশ গ্রহন করেছে।

ইউরোপে এসেও আকাশ অন্ধ সেজে আছে , এটার কারণ সে সেম আগের মতোই মিউজিক কে ব্লাইন্ডলী ফীল করতে চায়। ওটা তার প্যাশন হয়ে দাড়িয়েছিল 👌

এই ছিল ইন্ডিং এক্সপ্লেনেশন এবং রিভিউ। ধন্যবাদ।

Leave a comment

Name *
Add a display name
Email *
Your email address will not be published
Website