Lucy (2014) ফুল মুভি এক্সপ্লেনেশন

MLWBD .com October 11, 2018 Views 294

╚●► Lucy (2014) ফুল মুভি এক্সপ্লেনেশন ◄●╝

●► ইন্ডাস্ট্রিঃ- হলিউড
●► জনরাঃ- সাই-ফাই, থ্রিলার

২০১৪ সালে রিলিজ হয়া মোস্ট কনফিউজড প্লটের একটি মুভি #LUCY. সাধারনত উপভোগ্য মুভি হয়াতে মুভিটি নিয়ে কেউ কখনো ভাবেনি। মোটামুটি সাধারন কিছু সাইফাই মুভির মতোই ধরে নিয়েছেন। কিন্তু মুভির স্টোরীলাইন অতটাও সহজ ছিল না। অনেক বিষয় রয়েছে, যা হয়ত আপনার চোখেই পড়েনি। আজ আমরা এক্সপ্লেই করতে যাচ্ছি লুসী মুভির A-Z সকল বিষয় নিয়ে।

নোটঃ- মন দিয়ে পড়ার চেষ্টা করবেন। অনেক শিক্ষনীয় ব্যাপার রয়েছে। আশা করি বিফলে যাবেনা।

  • ╚●► প্লটঃ
  • লুসী নামক এক যুবতী দূর্ভাগ্যবসত ড্রাগ ডীলারদের কবলে পড়ে যায়। তাকে ড্রাগ সাপ্লাই এর কাজ দেয়া হয়। সে রাজি নয়। তাই তাকে অজ্ঞান করে তার তলপেটে অপারেশন করে ড্রাগের প্যাকেট ঢুকিয়ে দেয়া হয় যাতে চতুরতার সাথে ড্রাগ টি যথাস্থানে পৌছে দেয়া যায়। ড্রাগের নাম ছিল #CPH4. যাত্রাপথে কোন এক কারণে এক ড্রাগ ডীলার তার সাথে ঝগড়া করে তার তলপেটে লাথি দেয়। এতে সেই ড্রাগ তার পেটেই ফেটে যায় এবং য়ার রক্তের সাথে মিশে যায় #CPH4. ফলে তার মস্তিস্কের কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়।

    মাইন্ডের রিয়্যাক্ট করার রেস্পন্স বেড়ে যায়। সে না দেখে, না শুনে, স্পর্শ না করে বিভিন্ন বস্তু সম্পর্কে ইনফরমেশন নিয়ে নিতে পারে। অন্যের মাইন্ড রিড করার ও ক্ষমতা লাভ করে।

    এক পর্যায়ে তার ব্রেইন ৯০% কাজ করা শুরু করে এতে সে টাইম ট্রাভেল ও করতে সক্ষম হয়। তারপর তার ব্রেইন যখন ১০০% কার্যক্ষমতা লাভ করে, সে অদৃশ্য হয়ে যায়।

    কিন্তু সকলের মনে প্রশ্ন থেকে গেল।

    ●► কোথায় গেল সে?
    ●► এতসব কিভাবে ঘটলো?
    ●► সে অদৃশ্য ই বা কেনো হল?
    ●► ফিনিসিং এ তার বডি সেলগুলো ধ্বংস কেনো হয়ে গেল?
    ●► এই মুভির নাম লুসী কেনো দেয়া হয়েছে?
    ●► সাইকোকিনেসিস/টেলিকিনেসিস কি?

    ╠═══ এক্সপ্লেনেশন ═══╣

    ১। হিউম্যান ব্রেইনঃ- মুভিতে বার বার বলা হয়েছিল যে হিউম্যান ব্রেইনের আমরা মাত্র ১০% কাজে লাগাই। যদি তা ১০০% কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে আমাদের দ্বারা কি কি সম্ভব হতো। তার ধারণামাত্র।

    লুসীর শরীরে CPH4 DRUG মিশে যাওয়াতে তার ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়। কেনো বেড়ে যায়, তার ও কারণ রয়েছে।

    আমাদের শরীরে #এড্রীনালাইন নামক একপ্রকার হরমোন রয়েছে যা আমাদের বডির রেস্পন্স, রিয়্যাকশন, ইমোশন ইত্যাদি কাজে স্বল্পসময়ের জন্য রেস্পন্স দিতে পারে। মানে, আপনার দিকে আমি একটি বল ছুড়ে মারলাম। আপনি সেটা বুঝতে সময় নিবেন। আর সেই সময় টাও খুব অল্প হয়। কিন্তু আপনার রেস্পন্স টাইম যদি ইম্প্রুভ হয়, এতে আপনি আগামীর সকল বিষয়ের জন্য নির্দিষ্ট টাইম গেইন করতে পারলেন। যার ফলে আপনি যেকোন বিষয় বুঝতে, শিখতে এবং সহ্য করতে অনেকটাই সময় নিতে পারবেন।

    আরও একটি বিষয় চিন্তা করুন। আপনাকে আমি আঘাত করলে সাথে সাথে ব্যাথা না পেলেও ৫-৬ সেকেন্ড পর নিশ্চই ব্যাথা লাগবেই? কিন্তু এই রেস্পন্স টাইম ই যদি বাড়িয়ে ফেলেন, আপনার কি সেই ব্যাথা আদৌ অনুভব হবে? ভেবে দেখুন।

    ২। মাইন্ড রিডঃ- মুভিতে CPH4 ড্রাগ এর ফলে লুসীর র মস্তিস্কের এবং তার বডির টাচ বা সেন্স অব টাচ আ্যবিলিটি বেড়ে যায়। যেহেতু আমাদের মস্তিস্ক ইলেক্ট্রনিক সিগন্যাল এর মাধ্যমে কাজ করে। তাই আমরা যদি আমাদের টাচ এর সেন্স আ্যবিলিটি বাড়াতে পারি এবং স্পর্শের মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক সিগন্যাল রিড করতে পারি, তাহলে আমরা অন্যের মাইন্ড ও রিড করতে পারবো।

    ৩। ফ্লাইটে লুসীর বডি সেল কেনো নষ্ট হয়ে যাচ্ছিলঃ- যেহেতু লুসীর বডিতে পুরোপুরিভাবে CPH4 ড্রাগ/ক্যামিক্যাল মিশে গিয়েছিল আর সে ফ্লাইটে মদ্যপান/আ্যলকোহল পান করছিল, এতে আ্যলকোহল আর CPH4 রিয়্যাক্ট করছিল আর তার বডির সেল নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। কারণ আ্যলকোহল এক প্রকার স্বক্রীয় রাসায়নিক লিকুইড।

    তার বডি সেল ড্যামেজ হয়ার আরও একটি কারণ থাকতে পারে। যেহেতু তার মাইন্ড অনেকটাই ইম্প্রুভ হয়ে গিয়েছে, তাই তার মাইন্ডের এখন বডি ব্যাতিত হলেও চলবে অথবা তার বডি সেল ইউনিবার্সের ইলিমেন্টের সাথে মিশে যাচ্ছিল। আমি এই ব্যাপারে সিউর নই।

    ৪। সাইকোকিনেসিস/টেলিকিনেসিসঃ- মুভিতে এক পর্যায়ে লুসী অনেকগুলো ড্রাগ ডীলারকে না ছুয়েই অজ্ঞান করে দিয়েছিল। এ ব্যাপারটিকে বলা হয় সাইকোকিনেসিস বা টেলিকিনেসিস। সাধারনত কোন ধরা ছোয়া ব্যাতিত কোন ব্যাক্তি বা বস্তুকে পরিবর্তন বা তাদের অবস্থান পরিবর্তনকে টেলিকিনেসিস বলা হয়। কিছুটা সাইকোম্যাট্রির সাথেও সংযুক্ত এটি।

    ৫। ফিনিসিং এ বাকিসব CPH4 ড্রাগ গ্রহন করাঃ- শেষে লুসী সকল ড্রাগ তার শরীর পাম্প করে নেয়। এতে তার ব্রেইন প্রায় ৮০-৯০% কার্যক্ষমতা লাভ করে। যার ফলে সে টাইম ট্রাভেল করে তার আসে পাশের ইলিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে।

    সে যখন একদম অতীতে লাখ লাখ বছর পেছনে চলে যায় আর সেখানে একটি #বানর দেখতে পায়, সেটি কি জানেন? সেই বানরের নাম ই হল লুসী 😂😂

    ১৯৭৪ সালের দিকে আফ্রিকায় একটি কংকাল পাওয়া যায় যা প্রায় ৩মিলিয়ন বছর পুরনো। বিজ্ঞানীরা সেই কংকাল এর নাম দিয়েছিলেন #লুসী! এর ই নাম অনুসারে মুভির নাম লুসী রাখা হয়েছে।

    ৬। অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার কারণঃ- লুসী টাইম ট্রাভেল করে ব্যাক আসার পর তার ব্রেইন ১০০% কর্মক্ষমতা লাভ করেছে। এবার সে নিজেকে তার আসে পাশের পার্টিক্যালের সাথেও সংযুক্ত করতে সক্ষম। তার আসে পাশের পরিবেশের সাথে নিজেকে কানেক্ট করতে সক্ষম। তাই সে নিজ বডি ত্যাগ করে এবং অদৃশ্য হয়ে সব জায়গায় ছড়িয়ে যায়।

    ৭। ফোনে মেসেজ এসেছিল “I’m Everywhere” এই মেসেজ টা কিভাবে দেয়া হল ফোনেঃ- যেহেতু সে এখন পুরো পরিবেশের সবকিছুর সাথে জরিত, এতে সে পুলিশ অফিসারের ফোনে ইলেক্ট্রনিক সিগন্যাল পাঠিয়েছে Text অনুসারে, যেটায় লিখা ছিল “I’m Everywhere”. সে এখন সকল পার্টিকেল এর সাথে কানেক্টেড। যেকোন রূপ, যেকোন আকার এবং যেকোন সময়ের সাথে কানেক্টেড সে।

    ঠিক এভাবেই এন্ডিং হয় লুসী মুভিটির। কিছুটা কমপ্লিকেটেড প্লট তবে শিক্ষনীয়। মুভিটির লিংক প্রয়োজন হলে #MLWBD. COM এ ভিজিট করুন। সকল সাইজের ফাইল পাবেন। ধন্যবাদ

    Leave a comment

    Name *
    Add a display name
    Email *
    Your email address will not be published
    Website